আমাদের আক্বীদা

হুবহুভাবে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত উনার আক্বীদা-ই আমরা পোষণ করি..

আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত উনার কিছু আক্বীদা

সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ পাক তিনি এক এবং উনার মত দ্বিতীয় কেউ নেই।
মহান আল্লাহ পাক উনার কোন শরীক নেই ।
মহান আল্লাহ পাক উনার কোন আকৃতি নেই ।
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার ইলম ও কুদরতের মাধ্যমে সর্বত্র বিরাজমান এবং আসমা ও সিফতের মাধ্যমে সর্বত্র হাজির-নাজির হয়ে থাকেন ।
মহান আল্লাহ পাক উনাকে দুনিয়াবী জীবনে কেউই হাক্বীক্বীভাবে দেখতে পারবে না, কিন্তু উনার মিছালী সুরত দেখা সম্ভব ।
মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন সর্বশক্তিমান ।
মহান আল্লাহ পাক তিনি কারও উপর নির্ভরশীল নন।
কেউই মহান আল্লাহ পাক উনার সমকক্ষ নয়।
কুরআন শরীফ আল্লাহ পাক উনার কথা, যা সৃষ্টি নয় (গায়রে মাখলুখ) ।
সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ পাক মানবজাতির হিদায়েতের জন্য এক লাখ চব্বিশ হাজার মতান্তরে দুই লাখ চব্বিশ হাজার নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পাঠিয়েছেন ।
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন শেষ নবী ও রসূল ।
হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন “নূরে মুজাসসাম” অর্থাৎ তিনি নূর মুবারক দিয়ে তৈরী ।
হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শরীর মুবারক এর কোন ছায়া ছিল না ।
হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শরীর মুবারক এর সবকিছুই সবচেয়ে পবিত্র থেকে পবিত্রতম ।
হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরে আর কোন নবী-রাসূল আলাইহিস সালাম এই পৃথিবীতে আসবেন না কারণ তিনি হচ্ছেন “খাতামুন নাবিয়্যীন”। যদি কেউ নবী দাবী করে তাহলে সে কাফির এবং জাহান্নামের চিরস্থায়ী বাসিন্দা হবে । যেমন কাদিয়ানী, বাহাই ফিরকা ।
সমস্ত নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালামগণ হচ্ছেন মাছূম (নিষ্পাপ) ।
নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের পর, সব চেয়ে সম্মানিত হচ্ছেন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা। তারপর তাবেয়ীন অতঃপর তাবে-তাবেয়ীনগণ ।
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বিরোধিতা এবং সমালোচনা করা কুফরী ।
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা প্রত্যেকই সত্যের মাপকাঠি ।
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের কোন ইশতিহাদই ভুল নয় ।

অনুরুপভাবে ইসালামের প্রতিটি ক্ষেত্রেই কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা এবং কিয়াস-এর আক্বীদা অনুসরণ করা হয় যা কিনা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতেরই আক্বীদা ।

আপনি কি রাজারবাগ শরীফ উনার সম্পকে জানতে আগ্রহী ?আজই যোগাযোগ করুন: